সম্প্রতি এক ইসলামি প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে এক ব্যক্তি শায়খ আহমাদুল্লাহকে প্রশ্ন করেন, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আমাদের করণীয় কী? রবিউল আউয়াল মাস চলছে, এই মাসে আমরা কী কী আমল করব?
উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন,
হিজরী বর্ষের মাসগুলোর মধ্যে রবিউল
নারীর জায়েজ সৌন্দর্যচর্চা ও সাজসজ্জা ইসলামে প্রশংসনীয়। স্ত্রী যদি স্বামীর সামনে সুন্দর রূপে উপস্থিত হওয়ার জন্য সাজসজ্জা করেন, তাহলে তা জায়েজ তো বটেই, সেজন্য তিনি সওয়াবও লাভ করবেন। হাদিসে এসেছে, একজন পুণ্যময়ী স্ত্রীর অন্যতম সেরা
`আল্লাহ যা করেন, মঙ্গলের জন্যই করেন এই কথাটির অর্থ হলো বান্দার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যা কিছু সিদ্ধান্ত নেন, তার অন্তরালে কোনো না কোনো কল্যাণ বা মঙ্গল লুকিয়ে থাকে। রবের প্রতি মানুষের এই সুধারণা
যখন কারও সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকে, তখন তো আমাদের আচরণ সাধারণত ভালোই থাকে। কিন্তু যখনই সম্পর্কের অবনতি ঘটে, কেউ কষ্ট দেয় কিংবা পারস্পরিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়, তখন আমরা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি, আমরা কীভাবে সেই
মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যখন চিকিৎসা কোনো কাজে আসে না। কেননা এক্ষেত্রে কখনো কখনো কালো জাদু, বান ও বদনজরের মতো আধ্যাত্মিক কিছু বিষয় থেকে থাকে।
তাই সেসব ক্ষেত্রে ইসলামী রুকাইয়াহর মাধ্যমে
শরীর সুস্থ রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু দুনিয়াবি প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া আমানতের যথাযথ হক আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন মুমিনের শক্তি, কর্মক্ষমতা ও সুস্থতা তাকে ইবাদত, দাওয়াত, জিহাদ, জীবিকা অর্জন এবং মানবসেবার কাজে
আমাদের অনেকের মধ্যেই প্রায়ই এই ভুল ধারণা বা মানসিকতা কাজ করে যে, আমার ভেতরে এখন ইমানের সেই জোর বা অনুভূতি নেই, তাই ইমানি অনুভূতিটা একটু আসুক, তারপর আমি আমল শুরু করব। আমরা ভাবি যে, ইমানের
বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি সৃষ্টি করেছে নানাবিধ নৈতিক ও ধর্মীয় চ্যালেঞ্জ।
ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফরমে অনেকেই প্রকৃত পরিচয় গোপন করে ভিন্ন পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার







