দান করা, আল্লাহর পথে খরচ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআনে আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য সদকাকারীদের, তার পথে খরচকারীদের তার সন্তুষ্টি, সওয়াব ও জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে,
আনন্দ-সুখ কিংবা দুঃখ-কষ্ট সবই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে। আনন্দের মুহূর্তে যেমন তাঁর প্রশংসা করা কর্তব্য তেমনি দুঃখ-কষ্টের সময়েও তার কাছে আত্মসমর্পণ করা জরুরি। তাই রাসুল (সা.) কোনো আনন্দের কোনো কিছু দেখলে বলতেন - (الْحَمْدُ لِلَّهِ
আজকাল একটি প্রবণতা অনেক বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে যে মানুষ কোনো অন্যায় কাজ হতে দেখেও নির্লিপ্ত থাকে। অনেক নামাজি দ্বিনদার মানুষও এটা মনে করে চুপ থাকে যে এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়, তাতে হস্তক্ষেপ করা যাবে
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে পছন্দ করে তাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হোক এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হোক, তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় হয় যে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ইমান রাখে এবং অন্যের সাথে
মহানবীর (সা.) প্রিয় সাহাবি আবু সালামা (রা.) শহীদ হওয়ার পর তিনি যখন তাকে দেখতে যান, তখন তিনি তার জন্য এভাবে দোয়া করেন,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لأَبِي سَلَمَةَ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ
শক্তি ও ক্ষমতা থাকার পরও ক্ষমা প্রদর্শন ইসলামের একটি মহান সৌন্দর্য। আল্লাহপাক নিজেও ক্ষমাশীল এবং তিনি ক্ষমাকারীদের ভালোবাসেন। ক্ষমা, বিশেষ করে বদলা নেওয়ার শক্তি ও ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করতে পারা মানুষের অন্যতম প্রধান মহৎ
মানুষ কখনো নিশ্চিতভাবে জানতে পারে না যে আল্লাহ তাআলা তাকে তার কৃত পাপের জন্য ক্ষমা করেছেন কিংবা এখনো ক্ষমা করেননি। কারণ বিষয়টি গায়েব বা অদৃশ্য জগতের অন্তর্ভুক্ত, যা শুধু আল্লাহই জানেন। এটি মানুষের জ্ঞানের সীমার
মহানবী (সা.) থেকে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দুটি দোয়া:
১. হালাল রিজিক ও মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি পেতে মুক্তি পেতে এ দোয়াটি পড়ুন:
اَللّهُمَّ اكْفِنِى بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاغْنِنِى بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ উচ্চারণ: আল্লাহুমমাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা ওয়াগনিনী








